বাংলাদেশে সম্প্রচার হওয়া বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার।

18 November, 2016

হযরত আদম (আঃ) এর নামে ADAM PEAK বা আদম পাহাড় ।



শ্রীলঙ্কার এই পাহাড়ের নাম  আদম পাহাড় ।  এটি শ্রীপাড়া প্রদেশে অবস্থিত । এই পাহাড়ের চুড়ায় আছে ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ ও ২ ফুট ৬ ইঞ্চি প্রস্থ বিশিষ্ট একটি পায়ের ছাপ। পৃথিবীর আদি মানব  হজরত আদম (আঃ) প্রথম শ্রীলঙ্কায় পদার্পন করেছিলেন তাই শ্রীলঙ্কার মুসলমান ও খ্রীষ্টানদের মতে এটি হজরত আদম (আঃ) এঁরই পায়ের ছাপ । এ জন্যে এর নাম আদম পিক বা আদমের পাহাড় । হিন্দুরা মনে করে এটি তাদের দেবতা শিবের পদচিহ্ন আর বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন এই পদচিহ্নটি গৌতম বুদ্ধের ।   


৮৫১ সালে এই পদচিহ্ন প্রথম দেখতে পান আরবের  সোলাইমান। রত্নপুরা হয়ে পবিত্র এ পাহাড়ে আরোহন করেছিলেন আরব দার্শনিক ও পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ।

16 November, 2016

আসামে প্রতিবছর ১৯ মে পালিত হয় বাংলাভাষা দিবস ।



১৯ মে, ১৯৬১ ।
আসামে বাংলাভাষার স্বীকৃতির জন্যে বরাক উপত্যকার লোকদের আহুত সত্যাগ্রহ আন্দোলনকে দাবিয়ে রাখার জন্যে কংগ্রেস সরকারের পুলিশের গুলিতে সেদিন নিহত হন অনেক বাংলাভাষা প্রেমিক। বরাক উপত্যকায় তারাপুরের শিলচর রেল ষ্টেশন থেকে শেষ ট্রেনের যাত্রাটাকে রুখতে পারলেই এদিনের মত হরতাল শেষ । কিন্তু সরকার পক্ষও বসে ছিল না। খোদ প্রধান মন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুও উড়ে এসেছেন গুয়াহাটিতে , কংগ্রেসি মূখ্যমন্ত্রী বিমল প্রসাদ চালিহার সঙ্গে তিনিও নজর রাখছেন আন্দোলনের উপর। আসামে একমাত্র অসমীয়া ভাষাকেই চালু রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন চালিহা। অরাজনৈতিক সংগঠন  কাছার গনসংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই আন্দোলনে উত্তেজনা থাকলেও সহিংসতা ছিল না।  বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে বিভিন্ন জায়গা থেকে বন্দি-পিকেটারদের নিয়ে আধা-সামরিক জোয়ানদের গাড়ী ঢুকল শিলচর রেলষ্টেশনে । কৌতুহলী সত্যাগ্রহীরা তাদের দেখতে উৎসুক হলেন। এ সময় উৎসুক জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জওয়ানেরা । ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়লেন ১২ জন ভাষাপ্রেমিক। নয়জন ঘটনাস্থলেই প্রান হারান আর দুজন প্রান হারান হাসপাতালে বাকিরা এই বর্বোরোচিত আঘাত সহ্য করেও রুখে দাড়ালেন। মৃত দেহ নিয়ে শিলচরে শুরু হলো মিছিল। পিছু হটতে বাধ্য হলো আসাম সরকার। ১১ শহীদের রক্ত আর অগনিত মানুষের সংগ্রামের মাধ্যমে । দ্বিতীয় সরকারী ভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলা । 




আসামে বাংলাভাষার স্বীকৃতির জন্যে লেখা হলো  শহীদ কানাইলাল নিয়োগী, চন্ডি চরণ সুত্রধর, হীতেশ বিশ্বাসসত্যেন্দ্র দেব কুমুদ রঞ্জন দাস, সুনীল সরকারতরুনী দেবনাথ , শচীন্দ্র চন্দ্র পাল ধীরেন্দ্র সুত্রধর, সুকমল পুরকায়স্ত ও কমলা ভট্টাচার্যের নাম। 

আসামের বরাকপারের বাঙালীরা সেদিন দেখিয়ে দেন তাঁদের চেতনাকে দমিয়ে রাখা যায় না ।

13 November, 2016

মসজিদের আদলে তৈরী বাড়ী , উপেক্ষিত সীমান্ত আইন ।



চমৎকার বাড়ী, বাড়ীটার শীর্ষে গম্বুজ ও মাইকের হর্ণও আছে। দেখলেই মনে হয় এটি একটি মসজিদ কিন্তু তা নয় । এটি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ঠ্যাংঝাড়া গ্রামে অবস্থিত একটি বসত বাড়ী। ভারতীয় সীমান্তের দেড়শত গজের ভিতরে মসজিদ-মাদ্রাসা ছাড়া অন্যকোনো পাকা-স্থাপনা নির্মান করার উপরে বিধিনিষেধ থাকায় বাড়ীর মালিক সীমান্ত আইন ও ধর্মের চোখে ধুলো দিয়ে এভাবেই বাড়ীটি নির্মান করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিমত পোষন করে থাকেন ।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ।



পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ও অদ্ভুত বিষয়গুলোকের গুদামঘর বলা যায় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে । এটি মুলত একটি বার্ষিক প্রকাশনা । বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশ্বরেকর্ড নথিভুক্ত করার জন্যে কতৃপক্ষের কাছে বছরে প্রায় ৫০ হাজার আবেদন আসে এবং সেখান থেকে গড়ে ৬ হাজার মনোনয়ন পায় । এর জনক হলেন হিউ বিভার ।

১০৭ ফ্লিট ষ্ট্রিট, লন্ডন থেকে ১৯৫৫ সালে প্রথম বইটি মুদ্রিত হয় ।


নির্মান শ্রমিক থেকে কবি হলেন বাংলাদেশী তরুণ মোঃ মুকুল হোসেন ।




প্রচন্ড হাঁড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের মাঝেও নিজের উদ্যোমী মনোভাব ও নিরবিচ্ছিন্ন অধ্যাবসায়ের গুনে কবিস্বত্তা অর্জন করতে পেরেছেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশের তরুন মোঃ মুকুল হোসেন । সাদা কাগজ না পেয়ে সিমেন্টের বস্তাতেই লিখতেন তাঁর কবিতা ।কয়েক মাস আগে সিঙ্গাপুরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘মি মাইগ্রান্ট’ । সিঙ্গাপুর ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের গনমাধ্যমে তিনি আলোচনার শিরোমনি হয়ে উঠেন ।

উল্লেখ্য মোঃ মুকুল হোসেন লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার পানবাড়ী গ্রামে ১৯৮৯ খ্রীষ্টাব্দে জন্মগ্রহন করেন । পাটগ্রামের জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গনি সরকারী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর তিনি জীবন-জীবিকার তাগিদে ২০০৮খ্রীষ্টাব্দে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান । মি মাইগ্রান্ট প্রকাশের আগে বাংলাদেশে তাঁর দুটি বই প্রকাশিত হয়, ‘দূঃখের সীমানায় সুখ’ নামে একটি উপন্যাস ও অন্যটি ‘অপূর্ণ বাসনা’ নামে একটি কবিতার বই।

আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছি ।

10 November, 2016

ফেসবুকে রুচিশীল মানুষের অবস্থান দিন দিন ক্ষয়িষ্ণু হওয়ার পথে ।




অবাধ স্বাধীনতার কুফল কি তা ফেসবুকে না এলে বুঝা যায় না, ফেসবুকে  একশ্রেনীর ব্যবহারকারী  অন্যের পছন্দ-অপছন্দকে তোয়াক্কা না নিজের ইচ্ছামত  ভিত্তিহীন ষ্টাটাস বা শালীনতা বর্জিত ছবি আপলোড করে চলছে । যার ফলে ফেসবুকে রুচিশীল ব্যক্তিদের অবস্থানটা দিন দিন ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে ।

এমন সব কর্মকান্ডের উপরে হস্তক্ষেপ চালানোর জন্যে সরকার কতৃক গঠিত একটা সেন্সরবোর্ডের আশু প্রয়োজন সময়ের দাবীতে পরিনত হয়েছে ।