ইলিয়াস শাহ লখনৌতির
শাসক হিসাবে
বঙ্গ অধিকার
করলেও তিনি দুই ভূখন্ডকে একত্রিত
করে বৃহত্তর
বাংলার সৃষ্টি
করেছিলেন।
এ সময়
হতেই বাংলার
সকল অঞ্চলের
অধিবাসী 'বাঙালী'
বলে পরিচিত
হয় ।
ইলিয়াস শাহ
'শাহ-ই
বাঙ্গালা' ও 'শাহ-ই-বাঙালী'
উপাধী গ্রহন
করেছিলেন।
ইলিয়াস শাহের
মোট শাসন
কাল ১৩৪২ খ্রীঃ-১৩৫৮খ্রীঃ পর্যন্ত । পুত্র সিকান্দার শাহ ছিলেন তাঁর উত্তরসূরী ।
04 November, 2016
03 November, 2016
কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজীর
পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম
ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবী জানান । কিন্তু মুসলিম লীগের সকল সদস্য
এ দাবী প্রত্যাখান করে । ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে কুমিল্লার কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী এ্যাডভোকেট আবদুল
করিমের তত্ত্বাবধানে ছোট ছেলে দিলীপকুমার দত্তসহ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে
গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁদেরকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়
চর্যাপদ
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা
সাহিত্য নিদর্শন। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই
গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের মাধ্যমে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই
তাঁরা পদগুলি রচনা করেছিলেন। বাংলা ভাষার এরুপ প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া
যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কতৃক নেপালের রাজদরবার হতে সংগৃহীত চারটি প্রাচীন
বৌদ্ধ পুঁথিতে । এগুলো চর্যাপদ নামে পরিচিত। বাংলা
সাধন সংগীত শাখাটিরও সূত্রপাত
হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। একই সঙ্গে
সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলিতে সুন্দর ভাবে বর্ণিত আছে। এই
চর্যাপদগুলোর মধ্যেই বাংলা সাহিত্যের জন্ম হয় ।পরবর্তীতে আচার্য সুনীতি কুমার
চট্টোপাধ্যয় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের
মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন।
চর্যার প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
28 October, 2016
খোকনের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত ।
আমরা শোকাহত ।
তাঁর রেখে যাওয়া ফেসবুক লিঙ্কঃআশরাফুল কাইয়্যুম খোকন
19 October, 2016
বেতন দিতে হিজরি ছেড়ে খ্রিস্টীয় পঞ্জিকায় সৌদি আরব ।
মন্ত্রিপরিষদের
সাম্প্রতিক এক বৈঠকে রাজতন্ত্রের
অর্থবছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) সঙ্গে মিল রেখে
বেতন-ভাতা দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত হয় বলে সোমবার এক
প্রতিবেদনে জানিয়েছে আরব নিউজ।
এতে বলা হয়, সব
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে গত বুধবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠক
থেকে হিজরি বর্ষপঞ্জি
থেকে সৌরপঞ্জিকায় সরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্তটি চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
সরকারি কর্মীদের বেতন হিজরি বর্ষপঞ্জি ধরে
হলেও বেসরকারি কোম্পানিগুলো খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেয়। দুই ক্ষেত্রে সমরূপতা
আনাও এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম পড়ে যাওয়ায় কয়েক
বছর ধরে ধুকছে তেলনির্ভর অর্থনীতির দেশ সৌদি আরবের অর্থনীতি। এ কারণে বিভিন্ন খাতে
সরকারি ব্যয় কাট-ছাঁট হচ্ছে।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালুর এই সিদ্ধান্তের
পেছনেও সরকারের ব্যয় সঙ্কোচনের নীতিকে কারণ মনে করছেন কেউ কেউ।
চান্দ্র বছর হিজরি সৌর পঞ্জিকার চেয়ে ১১ দিন
কম বলে সৌদি আরবের সরকারি কর্মীরা এখন আগের তুলনায় ১১ দিন বেশি কাজ করলেও বেতন
আগেরটিই পাবেন।
বছরে ১১ দিনের বেতন হারানোর বিষয়ে সরকারি
অনেক কর্মচারীর মধ্যে অখুশি ভাব দেখা দিয়েছে বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে। সূত্রঃ bdnews24.com তারিখ ০৪-১০-১৬খ্রীঃ।
19 September, 2016
Test Post
I’m not perfect.
I make mistakes and I hurt people.
But when I say SORRY,
I actually MEAN it.
------- BAPPI
I make mistakes and I hurt people.
But when I say SORRY,
I actually MEAN it.
------- BAPPI
Subscribe to:
Posts (Atom)
-
A 130 years old banyan tree located near Malitari of purbo fakirpara village under Hatibandha upazilla in Lalmonirhat district is b...
-
১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের সময়ে এই মসজিদটি নো-ম্যান্স ল্যান্ডে পড়ে। বর্তমানে মসজিদটির সম্মুখ অংশটিই হলো ভারত। একেবারে সীমান্ত সংলগ্ন হওয়া...
-
বৌদ্ধবিহার বলতে প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়। ভিক্ষুদের বাসস্থান, ধর্মীয় আচারাদি সম্পন্ন ও ধ্যান করার স...