বাংলাদেশে সম্প্রচার হওয়া বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার।

07 November, 2016

' বঙ্গবন্ধু ও জাতির জনক ' উপাধিতে ভূষিত শেখ মুজিব

১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী তারিখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবকে নিঃশর্তভাবে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী ।
কারামুক্তির পরের দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমানকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শেখ মুজিবকে গণসংবর্ধনা প্রদান করা এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে গণসংবর্ধনা সভার সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তাঁর ভাষণে পূর্ব বাংলার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে কারা নির্যাতিত আপোসহীন নেতা, বাঙালী জাতির দুর্দিনের পথ প্রদর্শক শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন। রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ মানুষ বিপুল হর্ষধ্বনি ও করতালির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দিত করেন এবং ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টনের এক ছাত্র-জনসভায় সবার পক্ষ থেকে আ স ম আব্দুর রব বঙ্গবন্ধুকে ' জাতির জনক' বলে ঘোষনা দিলে উপস্থিত লাখো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানান ।

06 November, 2016

তমদ্দিন মজলিশ ও একটি পুস্তিকা ।





পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাবি অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হিসাবে ‘ তমদ্দিন মজলিশ’ এর  আত্মপ্রকাশ ঘটে ।উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে বস্ত্তত তমদ্দুন মজলিশই প্রথম প্রতিবাদ উত্থাপন করে এবং বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিসহ ভাষা আন্দোলনের সূচনায় পথিকৃতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরপাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দুশিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন। ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল বাংলা ভাষার অনুকূলে

বিমসটেক


জাতিসংঘ সৃষ্টির ইতিহাস ।


ক্রেডিটঃ তছলিম উদ্দিন ।

দক্ষিন-পূর্ব এশীয় জাতি সমূহের সংস্থা

ক্রেডিটঃ তছলিম উদ্দিন

দক্ষিন এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা







কৃতজ্ঞতাঃ Goutom Chowdhury
Trainer-PACK
B E P- Faridpur




05 November, 2016

উয়ারী-বটেশ্বরঃ নগর কেন্দ্রিক সভ্যতা আবিষ্কারের ইতিহাস ।

     উয়ারী-বটেশ্বর    বাংলাদেশের একটি  গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। ২৫০০ বৎসরের পুরাতন এই  প্রত্নস্থলটি ঢাকা থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে এবং নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার
পশ্চিমে অবস্থিত। প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবে নিয়মিত  খনন কার্য শুরু হয় ২০০০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ।


প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্মস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর। দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে। এ ছাড়াও দুর্গের চারদিকের রয়েছে পরিখা (যদিও কালের ব্যবধানে তাতে মাটি ভরাট হয়েছে)। ভরাট হলেও পূর্ব প্রান্তের পরিখার চিহ্ন এখনো দৃশ্যমান। দুর্গের পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রায় ৫.৮ কি. মি. দীর্ঘ, ২০ মি. প্রশস্ত ও ১০ মি. উঁচু অসম রাজার গড় নামে একটি মাটির বাঁধ রয়েছে। সম্ভবত এটি দ্বিতীয় দুর্গ প্রাচীর হিসেবে উয়ারী দুর্গনগরের প্রতিরক্ষার কাজ করত।




 


এতদিন ধারনা করা হতো প্রাচীন বাংলার সভ্যতা গ্রাম-কেন্দ্রিক ছিল   কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বরের ধ্বংসাবশেষ থেকে গবেষকরা নিশ্চিত
হয়েছেন যে প্রাচীন বাংলায় নগর-কেন্দ্রিক সভ্যতাও গড়ে উঠেছিল।