বাংলাদেশে সম্প্রচার হওয়া বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার।

16 November, 2017

বড়খাতা রেলষ্টেশনঃ শিল্পী আব্বাস উদ্দিন স্মৃতিধন্য ষ্টেশনটি একদা ছিল সৃজনী আড্ডার কেন্দ্র ।



BARAKHATA RAIL STATION

রেল স্টেশনটির নাম বড়খাতা, ইংরেজীতে বানানটি হলো Barakhata,  (স্টেশন কোড BKQ)স্টেশনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের বেঙ্গল ডুয়ার্স রেলপথে অবস্থিত । তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বর্তমান লালমনিরহাট জেলা সদর থেকে  বুড়িমারী পর্যন্ত ৮৪ কিলোমিটার লম্বা জঙ্গল বা ডুয়ার্স এলাকা সাফ করে লাইনটি স্থাপন করেছিল বলে এই রেলপথটিকে বেঙ্গল ডুয়ার্স রেলওয়ে বা  বি ডি আর লাইন বলা হয়ে থাকে । বি ডি আর লাইনের বড়খাতা স্টেশনটি ডি-গ্রেডের হলেও বিভিন্ন কারনে জনমানুষের মনে এটি এখনও অনন্য হয়ে আছে ।
১৯৪৭ খ্রীষ্টাব্দে দেশ বিভাগের পরে ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী ও ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাস উদ্দিন আহমদের পদার্পন ঘটেছিল এই স্টেশনে । তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য বড়খাতা নিবাসী আবুল হোসেন আহমদের বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্যে শিল্পী আব্বাস উদ্দিন আহমদ ট্রেনযোগে বড়খাতা আসেন তাঁর আগমনীর খবর ইতোপূর্বেই ছড়িয়ে পড়লে নির্ধারিত দিনক্ষনে শত শত নারী-পুরুষ তাদের প্রিয় শিল্পীকে দেখার জন্যে রেলস্টেশনে জমায়েত হয়েছিলেন । ট্রেন থেকে নেমে  উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের অনুরোধে গান পরিবেশন করেছিলেন এই গুনী শিল্পী । তৎকালীন সময়ের অনেক মানুষ বৃদ্ধ বয়সে এসে এই স্মৃতিগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতেন ।
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা অঞ্চলে সুস্থ্যধারার নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল বড়খাতা রেলস্টেশন চত্ত্বর । ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রত্যহ বিকেল বেলা আড্ডা দেয়ার জন্যে বড়খাতা অঞ্চলের সংস্কৃতমনা বিভিন্ন বয়সী মানুষ স্টেশন চত্ত্বরের বিশালকায় কৃষ্ণচূড়া বৃক্ষের ছায়াতলে মিলিত হতেন । জনাব নূরল ইসলাম(সিনিয়র শিক্ষক, বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয়, পরবর্তীতে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তৎপরে ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান), জনাব এস্তানুল হক ( বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক, পরবর্তীতে রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজের শিক্ষক), আলী আখতার গোলাম কিবরিয়া, আজিজুল ইসলাম( পরবর্তীতে বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক), মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান, এ টি এম তারিকুল ইসলাম শাহীন, শাহজাহান হোসেন লিপু সহ বিভিন্ন বয়সের প্রায়  অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি এই সৃজনশীল আড্ডায় নিয়মিত অংশ নিতেন । আড্ডার এই ধারা ১৯৯০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত অব্যহত ছিল ।
এই আড্ডার ফলাবর্তন হিসাবে তৎকালীন সময়ে প্রতিবছর বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন নাটক ও যাত্রাপালা মঞ্চস্ত হতো। নায়কের ভুমিকায় অভিনয় করতেন তৎসময়ের যুবক রবিউল ইসলাম ও শাহজাহান আলীলালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত হাজারও দর্শক টিকিটের বিনিময়ে এই সমস্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করত । শাহজাহান আলী বর্তমানে প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক, রবিউল ইসলামের পিতার নাম আশরাফ আলী, তাঁর পৈত্রিক বাড়ী ছিল বড়খাতা অঞ্চলের পূর্ব ফকিরপাড়া গ্রামে । তিনি গত জুলাই, ২০১৭ তে কর্মস্থল কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় আসার পথে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান ।
----শাহজাহান হোসেন লিপু

08 October, 2017

ব্লু হোয়েল গেম আসক্ত টিন-এজ ছেলে মেয়েদের ভিতরে আত্মহত্যা করার প্রবনতা সৃষ্টি করে ।

ব্লু হোয়েল একটা অনলাইন সুইসাইড গেম, যার ফাঁদে পরে সারা বিশ্বে শতশত টিন-এজ ছেলে মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।
গেমটি কোথাও ডাউনলোড করে পাওয়া যায় না। তবে বিশেষভাবে গেমটির কিউরেটর বা এডমিনিস্ট্রেটরে
র নজরে আসা যায়।
এরপর কিউরেটর বা এডমিনিস্ট্রেটর নিজেই যোগাযোগ করে গেমের অংশ হিসেবে প্রতিযোগীকে একেক দিন একেকটা চ্যালেঞ্জ টাস্ক দেয়। এভাবে পঞ্চাশ দিনের মোট পঞ্চাশটি চ্যালেঞ্জ পূরণ করতে হয় গেমটি শেষ করার জন্য।
চ্যালেঞ্জগুলোও অনেক অদ্ভুত। যেমন- হাত কেটে কিছু লেখা, চাকু দিয়ে শরীরে তিমি মাছ আঁকানো, উঁচু বিল্ডিং এ চড়া, মাঝরাতে কবরস্থানে যাওয়া, গায়ের ভেতর সুই ফোটানো, ভোর রাতে বাহিরে বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
প্রত্যেক চ্যালেঞ্জ শেষ করার পর এর ছবি আবার এডমিনিস্ট্রেটরকে প্রমান স্বরুপ পাঠাতে হয় । তখন এডমিনিস্ট্রেটর তার সাহসিকতার প্রশংসা করে তাকে পয়েন্ট দেয়।
এভাবে উনপঞ্চাশটি চ্যালেঞ্জ শেষ করার পর শেষ চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় সুইসাইড বা আত্মহত্যা করার।
আর এই চ্যালেঞ্জটিই বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে কয়েকশ টিন-এজ ছেলে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এমনকি পাশের দেশ ভারতেও বেশ কয়েকজন কিশোর আত্মহত্যা করেছে এই গেম খেলে।
আবার কেউ যদি গেমটি শুরু করার পর আর না খেলতে চায়, তখন তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়া হয় তার অথবা আত্মীয় স্বজনের ক্ষতি করার। যদিও এসব হুমকির কোন বাস্তবতা নেই, কিন্তু অনেক টি্ন-এজ ছেলে মেয়ে এগুলো হুমকিকেই সত্যি ভেবে ভয় পেয়ে গেমটা চালিয়ে যায়।
রাশিয়ার "ডেথ গ্রুপ" নামের একটা আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপ গেমটি চালায়। এই গেমটি ২০১৩ সালে রাশিয়ার ফিলিপ বুদেকিন নামের একজন মনোবিজ্ঞানের ছাত্র তৈরি করে।
সম্প্রতি রাশিয়ার পুলিশ ফিলিপকে গ্রেপ্তার করার পর এই ভয়াবহ তথ্য বের হয়ে এসেছে।
ডাটা অনুযায়ী আট বছর থেকে বাইশ বছর পর্যন্ত কিশোর কিশোরীরা এই গেমে আসক্ত। এদের মধ্যে টিনেজরা বেশি আত্মহত্যা করেছে।
তাই নিজের কাছের কিশোর কিশোরীদের দিকে নজর রাখা উচিত সবসময়, কেউ এই গেমের সাথে জড়িয়ে গেছে কি না কিংবা কেউ কোন অস্বাভাবিক আচরণ করছে কি না।
এমন অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়লে অবশ্যই প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা সাথে সাথে গ্রহণ করতে হবে।



তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেনঃসালমা রেজা আপা ।

05 October, 2017

প্রধান বিচারপতির ছুটির আবেদন পত্রে ৬টি শব্দের বানান ভুল ছিল !

আবেদন পত্রটির ছায়ালিপি
প্রধান বিচারপতি লিখেছেন,
‘বরাবর
মহামান্য রাষ্ট্রপতি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
বিষয় : অসুস্থতা জনিত কারণে ৩ অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের ছুটির আবেদন।
মহাত্মন, 
আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গত বেশ কিছুদিন যাবত নানাবিধ শারিরীক (শারীরিক) সমস্যায় ভুগছি। আমি ইতোপূর্বে ক্যান্সার রোগে অক্রান্ত (আক্রান্ত) হয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন ছিলাম। বর্তমানে আমি বিভিন্ন শারিরীক (শারীরিক) জটিলতায় ভুগছি। আমার শারিরীক (শারীরিক) সুস্থতার জন্য বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন। ফলে আমি আগামী ৩ অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ (ত্রিশ) দিন ছুটি ভোগ করতে ইচ্ছুক। 
এমতাবস্থায়, আগামী ৩ অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের ছুটির বিষয়ে মহাত্মনের সানুগ্রহ অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


(বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা)
প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ।’



  

09 September, 2017

An urge to those loving Bangla and the teachers of Bangladesh and the West Bengal of India.

For last few days my elder brother Mr. Ali Akhtar Golam Kibria is writing continuously in his facebook timeline regarding the spelling, pronounciation, origin and anomalous uses of Bangla word in different occasions. The piece of writing entitled as "Chheletake Boli" has already owned reputation in home and abroad. A renowned teacher of Botany of a college 'Mr. Kibria' being interested has started writing on different aspects of Bangla and its application from the moral point of view as a Bangalee.
He thinks that his piece of writing will act as a source of inspiration of exercise of Bangla. Please keep contact with the facebook link of my brother mentioned below and help spreading to different spheres. We believe that nobody will copy his status aiming at operating as self status because it will be subversive to ethics and law. His email is akhtar.kibria@gmail.com to contact. Best regards.

Link of facebook timeline of Mr. Kibria is: https://web.facebook.com/aliakhtar.golamkibria?ref=br_rs

Shahjahan Hossain ( Lipu )

                          

Traffic law violated. No matter for the bosses.



On the eve of Eid-ul-azha, Awamileague General secretary and Road transport minister Obaidul Quader’s facebook wall shows that the minister was going somewhere riding motorcycle without wearing helmet along with the AL leaders.
An album of photos uploaded on Obaidul Quader’s facebook wall shows none of the riders including the
Minister had helmet.
The minister himself violated traffic law though he often orders/advices motorcycle riders to wear helmet. He was also seen campaigning for the traffic rules on the street on several occasions.
It mentions that Eid-ul-azha was held on SEP o2,2017.




Shahjahan Hossain Lipu